মেনু নির্বাচন করুন

কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ি

সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ

 

রাজা কীর্তি নারায়ণের নাম অনুসারে কীর্তিপাশা। রামজীবন সেন কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ীর প্রতিষ্ঠাতা। এ বংশের সমত্মান রোহিনী রায় চৌধুরী ও তপন রায় চৌধুরী দুটি উজ্জবল নক্ষত্র। গাবখান নদীর তীরে স্টীমার ঘাট রোহিনী গঞ্জ রোহিনী রায় চৌধুরীর অবদান। সেই সাথে ইতিহাস গ্রন্থ বাকলা। কীর্তিপাশায় আছে হাসপাতাল যা ঝালকাঠি

থানা সদরে (জেলা সদর) হাসপাতালের চেয়েও পুরাতন।

দর্শনীয় স্থান হিসেবে কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ি অনেক দিন ধরে পরিচিত এবং আরো অনেক বিস্ময় কর দেখার মত কীর্ত্তি রয়েছে যেমন একটি স্বতী দ্বাহ প্রথার স্বমাধী এবং জমিদার প্রসন্ন কুমার রায় ছচৗধুরীর স্বমাধী মন্দির একটি শিব মন্দির এগুলো দেখতে এখানে প্রতিবছর ডিসেম্বর মাস থেকে জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী মাসে অনেক লোকে আসেন এবং এই জমিদার বাড়ি ঘুরতে আসেন আর এখানে এসে তারা অনেক সময় পিকনিক করে থাকেন।

শতবর্ষের পুরাতন প্রসন্নকুমার মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্বমহিমায় উজ্জল মুল জমিদার বাড়ী এবং দূর্গামন্দির এখন পরিত্যক্ত হয়ে আগাছা পূর্ণ হয়ে আছে। নাট্যশালার চিহ্ন রয়েছে এখনো। মঞ্চের গ্রিনরম্নম এবং হলরম্নমে পুনর্বাসিত হয়েছে কমলিকান্দর নবীনচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়। সতিদাহ প্রথার চিহ্ন একটি সহমরণ সমাধির চিহ্ন আছে  এখনও। রোহিনী রায় চৌধুরীর সমাধিটি নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। পারিবারিক শিব মন্দির এবং একটি শিব মূর্তি আছে এখনো।

কিভাবে যাওয়া যায়:

ঝালকাঠী থেকে অটো বা মটরবাইক অথবা অন্য যে কোন যানবাহনে করে কীত্তিপাশা , ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস মোড় হতে ১৫/২০ মিনিট অটোরিক্সা করে কীর্তি পাশা বাজার । বাজার থেকে ২/৩ মিনিট পায়ে হেটে কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ী। ভারাঃ ঝালকাঠী থেকে কীত্তিপাশা অটোতেঃ ২০ টাকা কীত্তিপাশা ।


Share with :

Facebook Twitter